সাইবার যুদ্ধ


সাইবার যুদ্ধ
স্বাভাবিক ভাবে  যুদ্ধ বলতে আমরা  দুই গ্রুপ এর সংঘর্ষ কে বুঝি।
একটা সময় ছিলো যখন নিজের বুদ্বিমত্তা দিয়ে যুদ্ধ করতো। তারপরে মানুস বন্দুক গুলি রাইফেল ইত্তাদি নিয়া যুদ্ধ করতো, কিন্তু এখন যুদ্ধ করার জন্য কোন রাইফেল বা বুদ্ধির দরকার পরেনা।
এখন একটা দেশ আর অন্য একটা দেশের মধ্য যুদ্ধ হলে সর্বপ্রথম হামলা হলো সাইবার হামলা,
সাইবার হামলা কি?
সাইবার হামলা হলো গিয়ে একটা দেশ অন্য একটা দেশকে যখন কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যাবহার করে হামলা করে করে তাকেই সাইবার হামলা বলে, সাইবার হামলার মাধ্যামে একদেশ অন্য দেশের বিভিন্ন ওয়েবসাইট হ্যাক করে নে,
সাইবার হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতি তখনই হই যখন দেশের সরকারি ওয়েব সাইট গুলা হ্যাক করা  হয়, এই সাইবার যুদ্ধের ফলে রাস্টীয় অনেক ক্ষয় ক্ষতি হয়।
মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ প্রতিরক্ষা (ডিওডি) উল্লেখ করেছে যে, বেশ কিছু সাম্প্রতিক ঘটনার কারণে ভূ-কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় সাইবারস্পেস একটি জাতীয় পর্যায়ের উদ্বেগ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। ২০০৭ সালে এস্তোনিয়ার পরিকাঠামোোতে রাশিয়ান হ্যাকার দ্বারা হামলা এর অন্তর্ভূক্ত। ২০০৮ এর আগস্টে রাশিয়া আবার জর্জিয়া দেশের বিরুদ্ধে একটি সমন্বিত ও সুসংগত কথিত সাইবার আক্রমণ চালায়। ভয়ের বিষয় এইযে, এ ধরনের আক্রমণ ভবিষ্যতে জাতি-রাষ্ট্রের মধ্যে সমস্য সৃষ্টি করতে পারে, সাইবারস্পেসের ধারণা বদলে দিতে পারে এবং যুদ্ধপরিস্থিতির উদ্ভব ঘটাতে পারে।
বাংলাদেশ-ভারত সাইবার-যুদ্ধ ২০১২
বাংলাদেশ-ভারত সাইবার-যুদ্ধ বলতে ২০১২ খ্রিস্টাব্দের প্রথম দিকে অনুষ্ঠিত ইন্টারনেটে সংঘটিত পাল্টাপাল্টি হ্যাকিং কার্যক্রমকে বোঝানো হচ্ছে। এধরণের সাইবার-যুদ্ধের ঘটনা ২০০৭-এ এস্তোনিয়ায় হলেও দুটো দেশের মধ্যে এজাতীয় ঘটনা সহজদৃষ্ট নয়। বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার এই ঘটনার সূত্রপাত মূলত হয়, ২০১২ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারি মাসের ৯ ও ১০ তারিখ, ভারত সীমান্তে একজন বাংলাদেশীকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক উলঙ্গ করে নির্যাতনকে কেন্দ্র করে। তবে কারণ হিসেবে এটি একমাত্র ছিল না, বস্তুত সমকালীন আরো সীমান্ত-হত্যা এবং ভারত সরকার কর্তৃক টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের সিদ্ধান্তও এই সাইবার-যুদ্ধের ইন্ধন ছিল। এই সাইবার আক্রমণের পিছনে বাংলাদেশের তিনটি হ্যাকার-দল, যারা নিজেদেরকে বাংলাদেশ ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারস, বাংলাদেশ সাইবার আর্মি এবং এক্সপায়ার সাইবার আর্মি নামে পরিচয় দেয়, নিজেদের কৃতীত্ব স্বীকার করে। এই দল-তিনটি তাদের সাথে বিশ্বব্যাপী পরিচিত হ্যাকার-দল অ্যানোনিমাস-এর সম্পৃক্ততার কথাও উল্লেখ করে। এছাড়াও পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া ও সৌদি আরবের হ্যাকাররা বাংলাদেশী হ্যাকারদের সমর্থন দিচ্ছেন বলে সংবাদ-মাধ্যমে উল্লেখ করা হয়।[৩] যদিও, পরবর্তীতে তারা নিজেদের ভুল স্বীকার করে এবং দাবী করা হয় তথ্যগুলো অতি উৎসাহী সমর্থকদের মস্তিষ্কপ্রসূত।[৪] তবে উল্লেখ্য, ভারত-সীমান্তে বাংলাদেশীদের হত্যা-সংক্রান্ত খবরের প্রচারই এই সাইবার-যুদ্ধের মূল উদ্দেশ্য বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা

No comments

Powered by Blogger.